আদি ও অকৃত্রিম প্রেমিক পুরুষটির জন্ম হয়েছিল
এখানেই। এই মথুরাতে। তাঁর কাছ থেকেই পরকীয়ার পাঠ নিয়েছেন সবাই। পরকীয়াকে এক নতুন
আঙ্গিকে গোটা দুনিয়ার সামনে পেশ করেছিলেন তিনি। যদিও তাঁর লীলাক্ষেত্র ছিল বৃন্দাবন।
এই মথুরা শহর থেকে একটা অটো নিয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় বৃন্দাবনে। যিনি যোল হাজার
গোপিণীর নয়নের মনি তাঁকেই কিনা জন্ম নিতে হয়েছিল কারাগারে। তাঁর জন্মস্থানে আজ
পেল্লাই মন্দির। আর সেই মন্দির চত্বর জুড়ে নিরাপত্তার এমন কড়াকড়ি যে, ভেতরে ঢুকতে
গেলে এক অর্থে প্রায় জামা কাপড় খুলে পড়ার জোগাড়। রীতিমত খানা-তল্লাশি চলে। গায়ে
শুধু পোশাকটুকু থাকে বাকি সবকিছু ক্লক রুমে জমা দিয়ে ঢুকতে হয়। ক্যামেরা নিয়ে
ভেতরে ঢোকার তো প্রশ্নই নেই। রাস্তায় দাঁড়িয়ে বাইরে থেকে ছবি তুললেও কারবাইন ঝুলিয়ে
ছুটে আসে উত্তর প্রদেশ পুলিশের কর্মীরা। মথুরার রাজ পরিবার যাদব কূলপতি বসুদেব ও
দেবকির অষ্টম পুত্র জন্মে ছিলেন শ্রাবণের অষ্টমী তিথির এক অন্ধকার রাতে। তাই
কৃষ্ণের জন্মদিন জন্মাষ্টমী হিসেবে পালন করা হয়। কৃষ্ণ জন্মালেন মথুরায়। বেড়ে
উঠরেন গোকূলে। লীলা দেখালেন ব্রজভূম বা বৃন্দাবনে। আর রাজা হলেন দ্বারকায়। প্রেমিক
এই কৃষ্ণ বর্ণ পুরুষটিকে নতুন করে খুঁজে পাওয়া যায় মহাভারতে। যেখানে তিনি প্রেমিক
নন। এক অসামান্য কূটনীতিক।
পাহাড়ের মাথায় এক দুর্গের গল্প। সুমদো থেকে টাবো হয়ে যে রাস্তাটা কাজা চলে গেছে সেই রাস্তা ধরেই ছুট ছিল গাড়ি। ক্রমশ পিছনে সরে যাচ্ছিল হিমালয়ের অজন্তা টাবো। রাস্তা খারাপ নয়,জানলার কাচ দিয়ে দেখছিলাম এক রূপকথার রাজ্য সরে সরে যাচ্ছে। এক এক জায়গায় রুক্ষ ন্যাড়া পাহাড় গড়াতে গড়াতে নেমে এসেছে নীচের দিকে। আর সেই রুক্ষ উপত্যকা চিরে বয়ে গিয়েছে রূপসী স্পিতি নদী। একেবারে টার্কিশ ব্লু রঙের জল। তার রূপের ছটা নেশা ধরিয়ে দেয়। আহা জলের শরীরেও এমন রং ধরাতে পারে স্পিতি উপত্যকার আকাশ। যেন কোন যুবতীর শাড়ির আঁচল বিছিয়ে রাখা এই রুক্ষ প্রান্তর জুড়ে । স্পিতি নদী। কাজা যাওয়ার পথে ২৪ কিলোমিটার আগে সিচলিং থেকে ডান দিকে একটা রাস্তা খাঁড়া উঠে গেছে পাহাড়ের ওপর। সে পথে আট কিলোমিটার গেলেই ধানকার। কিন্তু সিচলিং আমার পথ আগলে দাঁড়াল। চালক বাবাজিকে বললাম,“থোড়া রুকিয়ে ইধর।” চালকের এই জনমানবহীন প্রান্তরে থামার আদৌ যে ইচ্ছে ছিল না তা তার মুখ দেখেই বুঝতে পারছিলাম,কিন্তু সওয়ারি লক্ষ্মী । আর এই ক’দিনে তিনিও বু...
Comments
Post a Comment