#তালের_বড়ার_আখ্যান বাইরে তুমুল বৃষ্টি। রান্নাঘরের জানলা দিয়ে জলের ছাট আসছে। গ্যাস আভেনে কড়াই বসানো। তাতে তেল ফুটছে। গরম তেলে জলের ফোটা পড়লে কেলেঙ্কারি হয়। তাই মা জানালার পাল্লা দুটো বন্ধ করে দিলেন। বললেন,"রথে আর জন্মাষ্ঠমীতে বৃষ্টি হবেই।" আভেনের পাশে একটা কাচের পাত্র রাখা। পাত্রে তাল,চালের গুঁড়ো,নারকেল কোরা ও চিনি মিশিয়ে ফেটিয়ে নেওয়া কাই। থকথকে হলুদ রঙের দ্রবণ। সেখান থেকে কিছুটা মুঠোয় ভরলেন মা। হাতের বিশেষ মুদ্রায় বুড়ো আঙুলের চাপে একটা একটা করে ছোট ছোট গোলাকার পিণ্ড ছেড়ে দিতে থাকলেন গরম তেলে। গরম তেলের ছোঁয়া পেয়ে সেগুলো যেন প্রাণ পেল। শরীরের আকার নিল। ফুলে উঠল। ধীরে ধীরে তাদের শরীরের রং হয়ে উঠল লালাচে। মা আভেনের আঁচটা সিমে করে দিলেন। আগুনের নীলচে আভাটা ক্ষীণ হয়ে এল। শরীরের সমন্ত রন্ধ্র দিয়ে তেল শুঁষে নিচ্ছিল তালের বড়াগুলো। একটা কাঁসার রেকাবিতে তালের বড়াগুলো তুলে রেখেছিলেন মা। ঝুঁকে পড়ে দেখলাম, বড়াগুলোর গায়ে তখনও গরম তেল বিজগুড়ি কাটছে। ধোঁয়া বের হচ্ছে শরীর থেকে। কড়াইতে আরেক রাউন্ড তালের বড়া ছাড়লেন মা। সে গুলোর গায়ে আলতো করে গরম তেলের ছোঁয়া দিতে দ...