পাহাড়ের মাথায় এক দুর্গের গল্প। সুমদো থেকে টাবো হয়ে যে রাস্তাটা কাজা চলে গেছে সেই রাস্তা ধরেই ছুট ছিল গাড়ি। ক্রমশ পিছনে সরে যাচ্ছিল হিমালয়ের অজন্তা টাবো। রাস্তা খারাপ নয়,জানলার কাচ দিয়ে দেখছিলাম এক রূপকথার রাজ্য সরে সরে যাচ্ছে। এক এক জায়গায় রুক্ষ ন্যাড়া পাহাড় গড়াতে গড়াতে নেমে এসেছে নীচের দিকে। আর সেই রুক্ষ উপত্যকা চিরে বয়ে গিয়েছে রূপসী স্পিতি নদী। একেবারে টার্কিশ ব্লু রঙের জল। তার রূপের ছটা নেশা ধরিয়ে দেয়। আহা জলের শরীরেও এমন রং ধরাতে পারে স্পিতি উপত্যকার আকাশ। যেন কোন যুবতীর শাড়ির আঁচল বিছিয়ে রাখা এই রুক্ষ প্রান্তর জুড়ে । স্পিতি নদী। কাজা যাওয়ার পথে ২৪ কিলোমিটার আগে সিচলিং থেকে ডান দিকে একটা রাস্তা খাঁড়া উঠে গেছে পাহাড়ের ওপর। সে পথে আট কিলোমিটার গেলেই ধানকার। কিন্তু সিচলিং আমার পথ আগলে দাঁড়াল। চালক বাবাজিকে বললাম,“থোড়া রুকিয়ে ইধর।” চালকের এই জনমানবহীন প্রান্তরে থামার আদৌ যে ইচ্ছে ছিল না তা তার মুখ দেখেই বুঝতে পারছিলাম,কিন্তু সওয়ারি লক্ষ্মী । আর এই ক’দিনে তিনিও বু...