নৃসিংহ মন্দির
উত্তরাখণ্ডের সীমান্ত শহর যোশিমঠ। ছোট্ট এই পাহাড়ি শহরে মন্দিরের সংখ্যা নেহাত কম নয়। কিন্তু এই শহরের মূল আকর্ষন হল নরসিংহের মন্দিরযোশিমঠ বাজার ছাড়িয়ে বাঁদিকে অনেকটা নেমে যাওয়ার পর একটা সমতল মতো জায়গায় এসে দাঁড়ালে বাঁদিকে দেখতে পাবেন নৃসিংহ মন্দির। আর ডানদিকে পরপর বাসুদেব,দুর্গা,অষ্টভূজা,গণেশ ও গৌরিশংকরের মন্দির। নরসিংহ মন্দিরটা বেশ রঙিন। চারদিকে শান্ত পরিবেশ। মন্দিরে বিগ্রহ নরসিংহের মূর্তি। বিষ্ণুর এক অবতার হলেন নরসিংহ। এখানে ভগবান বদ্রী মুক্তিদাতা। স্বয়ং বিষ্ণু ভগবান নরসিংহ রূপে পূজিত হন। পুরাণ কথা অনুযায়ী, নরসিংহের ডান হাত ক্ষীণ ও দুর্বল। ওই হাত একদিন খসে পড়বে। যেদিন ওই ঘটনা ঘটবে সেদিন থেকে বদ্রীনাথধাম অগম্য হয়ে পড়বে। আর কেউ বদ্রীনাথজির দর্শন করতে বদ্রীনাথ ধামে যেতে পারবেন না। নর ও নারায়ণ পর্বতের মাঝে বদ্রীনাথ ধামের অবস্থান। যেদিন নরসিংহের দুর্বল ও ক্ষীণ হাতটি খসে পড়বে ঠিক সেদিন নর ও নারায়ণ পর্বত একসঙ্গে মিলিত হবে। দুই পর্বতের মিলনের ফলে অগম্য হয়ে পড়বে বদ্রীনাথ ধাম। বদ্রীনাথধামে আর পূজিত হবেন না ভগবান বিষ্ণু। তখন তিনি পূজিত হবেন ভবিষ্যবদ্রীতে।

Comments

Popular posts from this blog