লক্ষীনারায়ণ মন্দির,চাম্বা।
হিমাচলের প্রাচীন মন্দিরগুলোর অন্যতম চাম্বার এই
লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দির। চাম্বা বাজার ছাড়িয়ে কিছুটা চড়াই ভেঙে পৌঁছাতে হয় এই মন্দিরে।
লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরটি মূল মন্দির হলেও এর পাশে আরও ছ’টি মন্দির রয়েছে। শিখর
ধর্মী এই মন্দিরগুলি তৈরি করেছিলেন রাজা সাহিল বর্মা। প্রতিটি মন্দিরের গায়ে পাথরে
খোদাই করা কারুকাজ দেখে থমকে যেতে হয়। হাজার বছরের প্রাচীন এই মন্দিরগুলোর সামনে
দাঁড়ালে ইতিহাস জেগে ওঠে। দশম শতকে মন্দিরগুলি নির্মাণ করেছিলেন রাজা সাহিল বর্মা। কিন্তু মন্দিরের গর্ভগৃহে বিগ্রহ রূপে বিষ্ণুকে প্রতিষ্ঠা করতে
তিনি দুষ্প্রাপ্য মার্বেল পাথরের সন্ধান করছিলেন। রাজা সাহিল বর্মার নয় ছেলে ছিল। রাজা
সেই মার্বেলের খোঁজে তাঁর নয় পুত্রকেই পাঠিয়ে দিয়েছিলেন ছিলেন বিন্ধ্যাচল পর্বতে। পথে দস্যুদের আক্রমণে প্রাণ যায় আট পুত্রের। বড় ছেলে যুগকারা একমাত্র বেঁচে ফিরেছিলেন। তিনি সঙ্গে করে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিলেন রাজার সেই
কাঙ্খিত দুষ্প্রাপ্য মার্বেল। প্রাচীন এই মন্দিরগুলি বর্তমানে পুরাতত্ব বিভাগের
হেফাজতে রয়েছে।
আর চাম্বার সেই রাজকুমারী চম্পাবতী? যাঁর নাম
থেকেই চাম্বার নামকরণ হয়েছিল। যঁকে চাম্বার মানুষ দেবীর আসনে বসিয়েছেন। আজও
ভক্তিভরে পুজো করেন তাঁকে। সেই রাজকন্যার নামেও রয়েছে চম্পাবতী মন্দির। তবে সে
আরেক কাহিনি।

Comments
Post a Comment